আশিক মাহমুদ সৈকত (ইনফো স্পোর্টস বিডি ডটকম)
আইন সবার জন্য সমান, নিয়ম টা কাগজ কলমে ঠিক থাকলেও বাস্তবে কিন্তু তা নয়। আবারও তা প্রমান করলো “বাফুফে”। 
গত চার এপ্রিল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে পেশাদার লিগে আবাহনী-ফরাশগঞ্জ ম্যাচের কথা হয়তো অনেকেরই মনে আছে। আবারও মনে করিয়ে দিলাম। ম্যাচ শুরুর ৬২ মিনিট পর ফরাশগঞ্জ একটি গোলও করে। আবাহনীর গোলরক্ষক শহিদুল আলম সোহেল গোল টি বাতিলের দাবিতে রেফারির সঙ্গে তর্কযুদ্ধ শুরু করেন। শুধু তাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না রেফারিকে একাধিকবার ধাক্কাও মেরেছিলেন সোহেল। ম্যাচ শেষে সৌহার্দ্যমূলক কোন আচরন ও করেননি আবাহনীর এ গোলরক্ষক। এমন অখেলোয়াড় সুলভ আচরণের পরও বাফুফে’র ডিসিপ্লিনারি কমিটি মাত্র এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছেন তাকে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পেশাদার লিগে খেলা এক ক্লাবের ফুটবল ম্যানেজার জানান, ‘আবাহনী বড়মাপের দল বলেই ডিসিপ্লিনারি কমিটি মাত্র এক ম্যাচের জন্য শাস্তি দিয়েছে সোহেলকে। যদি মাঝারিমানের কোনো দল কিংবা ঢাকার বাইরের কোনো দলের গোলরক্ষক এমন অপরাধ করতো, তাহলে শাস্তির পরিমাণ আরও বেশি হতো। সোহেল অপরাধের তুলনায় তার শাস্তি একেবারেই নগণ্য। বাফুফে’র এমন সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে রেফারিদের ওপর ফুটবলারদের ক্ষিপ্ত হতে উত্সাহ জোগাবে।’ একই সভায় আবাহনীকে পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা, ম্যাসাজবয় ইমরানকে চলতি মৌসুমে স্টেডিয়ামে প্রবেশ হতে বিরত রাখা, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রকে কঠোরভাবে সতর্ককরণের এবং ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাবকে কারণ দর্শনো নোটিশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধার ম্যাসাজবয় মামুন খেলা চলাকালীন প্লেয়ার বেঞ্চের পিছনে মোবাইলে কথা বলার অপরাধে পরবর্তী ৩ খেলায় তাকে স্টেডিয়ামে প্রবেশে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিসিপ্লিনারি কমিটি।


