এস এম গোলাম রহমান(ইনফো স্পোর্টস বিডি ডটকম);
আবারও গাম্ভিরের ব্যাট গর্জে উঠলো এবং কলকাতা ছিনিয়ে আনলো তাদের ষষ্ট বিজয়। আজ মনে হয় শাহরুখ খান তার টিম পার্টিও দিবে জাঁকজমকভাবে। কারন এই জয় যে সাবেক আইপিএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস এর বিপক্ষে।
আজ ধোনি বাহিনীকে অনেকটা আপসেট করে জয় ছিনিয়ে নিল গাম্ভির বাহিনী। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন চেন্নাই রাজাদের দলপতি মাহেন্দ্র সিং ধোনি । কিন্তু তার এই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমানিত করতে পারেনি দলের দুই ওপেনার। প্লেসিস মাত্র ৩ রানে আউট হয়ে যাওয়ার পর ১৮ রানে প্যাভিলিয়ন এর পথ ধরেন মাইক হাসি। তারপর সুরেশ রাইনা এর লড়াকু ৪৪ রানের পর একমাত্র দলনায়ক ধোনি ছাড়া আর কেউ তেমন রান করতে পারেনি।ধোনি শেষ পর্যন্ত ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন।আর ৫ উইকেট হারিয়ে চেন্নাই সংগ্রহ করে ১৩৯ রান।
বর্তমানে টি২০ ম্যাচে যে হারে রান উঠছে তাতে ১৪০ রানের টার্গেট খুব বড় টার্গেট বলা যায় না। তাছাড়া যেই দলে গাম্ভির এর মত ইনফর্মড ব্যাটসম্যান আছে তাদের কাছে তো এই টার্গেট বড় কোন ঘটনা মনে হওয়া না।
ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই তারা হারিয়ে বসে এবার কলকাতার হয়ে সবচে খারাপ খেলা ম্যাককুলাম এর উইকেট। যে কিনা ৮ বলে মাত্র দুই রান করে আউট হয়ে যায়। এবারের আইপিএলে ম্যাককুলাম বিগত ৫ ম্যাচে সব মিলিয়ে মনে হয়না একশত রানের কোঠা পার করতে পেরেছেন। যাইহোক আরেক প্রান্ত ঠিকই আগলে রাখেন গৌতম গাম্ভির। গাম্ভির করেন ৬৩ রান ৫২ বল খেলে। আর জ্যাক ক্যালিস এর ধৈর্যশীল ২৬ রানের ইনিংস রান এনেদিলেও অনেকটা বিপদে ফেলে দেয় কলকাতাকে। কিন্তু দেবব্রত দাসের ৪ বলে ১১ রানের ইনিংস অনেকটা বাঁচিয়ে তুলে কলকাতাকে। আর ২ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেট হারিয়ে কলকাতা চলে যায় জয়ের বন্দরে।
আর শেষের দিকে ডুবতে যাওয়া কলকাতাকে বাঁচিয়ে তুলার কারনে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন “দেবব্রত দাস”।
স্কোরঃ
চেন্নাই সুপার কিংসঃ ১৩৯/৫ (সুরেশ রাইনা ৪৪, ধোনি ৩৪*)
জ্যাক ক্যালিস ২ উইকেট।
কলকাতা নাইট রাইডার্সঃ ১৪০/৫ (গাম্ভির ৬৩, ক্যালিস ২৬, দেবব্রত ১১)
আসউইন ২ উইকেট।
ফলাফলঃ কলকাতা ৫ উইকেটে জয়ী।



